ক্রিকেটে সবকিছু ছাড়িয়ে আলোচনায় তামিম ও সাব্বিরের শাস্তি। গতকাল অনুশীলন শেষে এনিয়ে কথা বলেন জাতীয় দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ও বিসিবির পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন।
তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটের আইন অনুযায়ী তাদের শাস্তি হয়েছে। কতটুকু কঠোর হয়েছে, কতটা কম-বেশি হয়েছে- সেটা আমি বলতে পারবো না। তবে কেউ অন্যায় করলে শাস্তি তাকে পেতেই হবে। আমার মনে হয় এটাকে খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব নিয়েই দেখা উচিত।’ দুই জাতীয় তারকার বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিতে চায়নি বিসিবি। তবে তারকা হিসেবে দায়বদ্ধতার কথাও ভুলে গেলে চলবে না বলে মনে করেন সুজন।

‘আমরা এমনটা কারো বেলাতেই চাই না। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা হচ্ছে সবার কাছে আদর্শ। তাদের কোনো বক্তব্যে দেশ ছোট হলে, বিসিবি তাতে ছাড় দেবে না।’ পিচ নিয়ে তামিমের শাস্তির পেছনে যুক্তি উপস্থাপন করেন মাহমুদ। তার মতে, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মিরপুর স্টেডিয়ামের দুটি ডিমেরিট পয়েন্টস আছে। এখন খেলোয়াড়দের এভাবে বলার পর যদি আইসিসি এই ভেন্যু বন্ধ করে দেয়। তাই আমাদের কিছু বলতে হলে, দেশের ক্রিকেটকে সম্মানটা রেখেই বলা উচিত।’ সাব্বিরের শাস্তির ব্যাপারে ম্যাচ রেফারির রিপোর্টকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘সাব্বিরের ব্যাপারে ম্যাচ রেফারির রিপোর্ট প্রাধান্য পেয়েছে। সর্বোচ্চ অন্যায় করলে এমন শাস্তি পেতেই হবে। সাব্বির অনেক তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে আদর্শ। অনেকেই সাব্বিরের মতো হতে চায়। সাব্বিরকে সেটা মাথায় রাখতে হবে।’ উল্লেখ্য জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে এক কিশোরকে প্রহার করায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়ার পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা গুনতে হচ্ছে সাব্বিরকে। এছাড়া বিপিএলের সময় উইকেট ও আউটফিল্ডের সমালোচনা করে তামিমকে গুনতে হচ্ছে ৫ লাখ টাকার আর্থিক জরিমানা।

bdwebhost24.com