ব্রাজিলের হেক্সা স্বপ্নের সারথি ছিলেন তিনি। মাঠের পারফরম্যান্সে অনেক তারকার চেয়ে এগিয়েও ছিলেন নেইমার। কিন্তু টুর্নামেন্টে তার খেলা নিয়ে যতটা না কথা হলো, তার চেয়ে বেশি হলো মাঠে গড়াগড়ি নিয়ে। একটু ছুঁলেই পড়ে যাচ্ছেন নেইমার, করছেন অভিনয়-এমন হাজারও অভিযোগ ছিল ব্রাজিল সুপারস্টারের বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কত যে ট্রল হয়েছে, তার ইয়ত্তা নেই। বিষয়গুলো যে নেইমারের নজরে আসেনি এমন নয়। পিএসজি ফরোয়ার্ড এসব সমালোচনা আর ব্যঙ্গতে বেশ কষ্টও পেয়েছেন।

রাশিয়া বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ছিল ব্রাজিল। কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়ে বেলজিয়ামের কাছে অপ্রত্যাশিত এক হারে ভেঙেছে স্বপ্ন। নেইমার পারেননি, পারেননি দলকে ট্রফি এনে দিতে। সেই কষ্ট তো আছেই, এর মধ্যে টুর্নামেন্টে বারবার ফাউল হওয়া নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ; ব্রাজিল ফরোয়ার্ডের মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক।

মনের দুঃখটা গোপন করেননি নেইমার। বারবার ফাউল হয়েছেন। এর মধ্যে সমালোচনায় কতটা কষ্ট পেয়েছেন, জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে আছে, আছে পরিবার-বন্ধুবান্ধব। তারা কেউ আমাকে এমন অবস্থায় দেখতে চায়নি। যে ফাউল হয় তাকে নিয়ে মানুষজন ব্যঙ্গ করতে উস্তাদ, কিন্তু যে ফাউল করে তাকে নিয়ে নয়। আমি বিশ্বকাপে খেলতে গিয়েছিলাম, গিয়েছিলাম প্রতিপক্ষকে পেছনে ফেলতে, লাথি খেতে নয়। আমাকে নিয়ে যে সমালোচনা, সেটা অতিরঞ্জিত। তবে আমি এমন একটা ছেলে, যে কিনা এসবের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অভ্যস্ত।’

রাশিয়া বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হয়েছেন নেইমার। মাঝেমধ্যে নাকি এমনও মনে হয়েছে, কেন যে রেফারি হলেন না! পিএসজি তারকা বলেন, ‘আমি তো একইসঙ্গে রেফারি আর খেলোয়াড়ের ভূমিকা পালন করতে পারি না। তবে মাঝেমধ্যে এমন মনে হয়, যদি সেটা হতে পারতাম!’

Facebook Comments
bdwebhost24.com