গারো পাহাড় শেরপুরে, ঘুরে এলেই ফুরফুরে

আসিফ শাহনেওয়াজ তুষার: এই ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন শেরপুরের গারো পাহাড়ে। একদিন কিংবা দুইদিনের প্ল্যানে বেড়ানোর জন্য আদর্শ স্থান হচ্ছে শেরপুরের গারো পাহাড়। এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি সাজানো গোছেনো পিকনিক স্পট সহ বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর রাস্তা বলে খ্যাত ওল্ড এলিফ্যান্ট রোড। এ রাস্তায় মাঝেমধ্যে ভারতীয় বন্যহাতী পারাপার করে জন্যই এই নামের আবির্ভাব। এছাড়াও নাকুগাও স্থলবন্দর, পানিহাতা পাহাড় ইত্যাদি তো থাকছেই। যেখানে দেখতে পারবেন, ভারতীয় সীমান্ত, নদী এবং পাহাড়, এই তিন জিনিসের অপূর্ব মিশেল ।

হোটেল: শেরপুরে থাকার জন্য হোটেল সম্পদই বেস্ট। এছাড়াও। হোটেল কাকলী, বর্নালী, আরাফাত। রয়েছে।

হোটেল সম্পদ প্লাজা (আবাসিক) ০৯৩১-৬১৭৭৬
কাকলী গেস্ট হাউজ (আবাসিক) ০৯৩১-৬১২০৬
বর্ণালী গেস্ট হাউজ (আবাসিক) ০৯৩১-৬১৫৭৫
আরাফাত গেস্ট হাউজ (আবাসিক) ০৯৩১-৬১২১৭

খাবার: চাইনিজ এবং ফাস্টফুডের জন্য হোটেল আলীশান কিংবা হোটেল সম্পদই বেস্ট। (আলীশান এর কাজুবাদাম এর সালাদটা আমার সবচেয়ে প্রিয়)

পোলাও, ভাত ভর্তা খাসির মাংসের জন্য। হোটেল শাহজাহান বেস্ট।

খিচুড়ি, ডিমভাজি এবং খাসির মাংসের জন্য। হোটেল আহার বেস্ট। এর এই প্রত্যেকটি রেস্টুরেন্টই হোটেল সম্পদের আশেপাশেই।

এছাড়াও বাটা শোরুম এর সাথে হামিদ এর পিয়াজু, পাবলিক লাইব্রেরীর সামনের ঝালমুড়ি (আগে সত্যবতীর সামনে ছিলো), রুপকথা সিনেমা হলের পাশের প্যারা (এক প্রকারের মিস্টি)। অনুরাধা মিস্টান্ন ভান্ডারের ছানার পায়েস, চারু সুইটসের স্পঞ্জ মিস্টি ট্রাই করে দেখতে পারেন। শেরপুর এর মিস্টি সবচেয়ে সস্তা এবং উন্নতমানের।

খরচ: ঢাকা থেকে একদিনের ট্যুরের জন্য জনপ্রতি ১২০০-১৫০০ এবং দুইদিনের ট্যুরের জন্য ২৫০০ টাকাই যথেষ্ট। বরং ঢাকায় ফিরে  কিছু টাকা পকেটে থাকবে। আর ভ্রমনসঙ্গী বেশি হলে খরচ আনুপাতিকহারে আরও কমে যাবে।

শেরপুরে ঘুরতে গাইডের প্রয়োজন হবেনা। যে কাওকে জিজ্ঞেস করলেই সকল প্রশ্নের উত্তর পাবেন। এছাড়া ভ্রমনকালীন সময়ে যেকোন প্রয়োজনে আমাকেও নক করতে পারেন।

আর ভ্রমনের সময় আপনার দ্বারা যাতে পরিবেশের কোন ক্ষতি না হয়, সে ব্যপারে সজাগ থাকুন।

রুটঃ মহাখালী থেকে শেরপুরগামী বাসে চড়লে 4 ঘন্টাতেই শেরপুর। শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এ নেমে ৫ টাকা অটো ভাড়ায় #খোয়ারপার_মোড় এ চলে যাবেন। শেরপুর ঘুরতে এলে এই মোড়কে মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, এটা এমন একটা মোড়, যেই মোড়ের সাথে সর্বমোট ৫ টি থানার যোগাযোগ ব্যবস্থা যুক্ত। সেই মোড় থেকেই সিএনজিতে প্রত্যেকটি স্পটেই যাওয়া যায়। সিএনজি রিজার্ভ নিতে চাইলে অবশ্যই দামাদামী করে নিবেন। নাহলে ঠকার সম্ভাবনা আছে। তবে ভেঙ্গে গেলে খরচ অনেক কম পড়বে।

গেইটলক বাসগুলোর নাম্বার গুলো জানতে  ক্লিক করুন

শেরপুর জেলা সম্পর্কিত তথ্য জানতে ক্লিক করুন  এখানে

This post was last modified on July 31, 2018 6:22 PM