শেরপুরে ২টি অপমৃত্যুর ঘটনা

bdwebhost24.com

শেরপুরে দুটি অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাতে শেরপুর পৌর শহরে রোগ যন্ত্রণা সইতে না পেরে চাঁদনী নামে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। অন্য ঘটনায় নালিতাবাড়ী উপজেলায় স্ত্রী, সন্তান ও শ্যালকের অপমান সইতে না পেরে গলায় দড়ি দিয়েছেন সানাউল্লাহ (৪৮) নামে একজন।
শেরপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল্লাহ আল মামুন চাঁদনীর স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, শেরপুর সরকারি কলেজের সম্মান শেষ বর্ষের ছাত্রী চাঁদনী যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়। যক্ষ্মায় আক্রান্ত হবার কারণে তার মুখ দিয়ে রক্ত পড়তো। রোগের বিষয়টি সে স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারেনি। সম্ভবত সে কারণেই সে শনিবার রাতে শেরপুরের গৌরীপুর মহল্লার ভাড়া বাড়িতে গ্রিলের সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। এ সময় বাসার লোকজন তাকে উদ্ধার করে শেরপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। আত্মহত্যার আগে সে লিখে যাওয়া চিরকুটে রোগের ব্যাপারটি উল্লেখ করেছে।
অন্যদিকে নালিতাবাড়ী উপজেলার নালিতাবাড়ী ইউনিয়নের ইউপি সদস্যা সবুরন নেছার ছেলে সানাউল্লাহ নিজ স্ত্রী-সন্তান-শ্যালক সহ শ^শুরবাড়ির লোকজনের অপমান সইতে গিয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। শনিবার মধ্যরাতে ঘরের সিলিংয়ের সাথে সানাউল্লাহর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সানাউল্লাহর মা ইউপি সদস্য সবুরন নেছা জানান, তার ছেলের বউয়ের ব্যবহারের জন্য তাদের সাথে বনিবনা হচ্ছিল না। ফলে বউয়ের চাপে সানাউল্লাহ স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে শশুরবাড়িতে থাকতে শুরু করে। এরই এক পর্যায়ে সানাউল্লাহর এক মেয়ের বিয়েতে যান তিনি। কিন্তু তার সাথে সানাউল্লাহর স্ত্রী ও শশুরবাড়ির লোকজন তেমন সৌজন্যতা না দেখালে, সানাউল্লাহ তার স্ত্রীকে বকাঝকা করেন। সেদিন রাতেই সানাউল্লাহর শশুরবাড়ি থেকে ফোনে জাননো হয় সানাউল্লাহর মৃত্যুর খবর।
এ ব্যাপারে সবুরন নেছা বলেন, তার সন্দেহ হচ্ছে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।
নালিতাবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সারোয়ার হোসেন জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কেউ মামলা দায়ের করেনি। ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

bdwebhost24.com