শৈত্য প্রবাহের ফলে গত বৃহস্পতিবার থেকে শৈত্য প্রবাহে কাবু হয়ে পড়েছে শেরপুরবাসী। সারা জেলায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। সকালে ১১টার আগে সূর্যের দেখা মিলছে না।

গতরাতেও তাপমাত্রা নেমেছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শীতের প্রকোপ শহরাঞ্চলের চেয়ে গ্রামীণ জনপদে বেশি হওয়ায় সেখানে ভোগান্তির মাত্রাও বেশি।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার পাহাড়ী জনপদের মানুষের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। প্রচন্ড শীতে দরিদ্র পল্লীগুলোর মানুষগুলো না ঘুমিয়ে আগুন জ্বেলে রাত পার করতে হচ্ছে।

ঝিনাইগাতীর পাহাড়ী জনপদ ছোট গজনীর আয়েশা খাতুন জানালেন, তাদের শীতে চরম কষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেশিরভাগ সময়ই আগুনের সামনে বসে পার করতে হচ্ছে সময়।

শ্রীবরদী খাড়ামুড়া এলাকার রফিক জানিয়েছেন, গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠী শীতের কারণে ভীষণ দুর্ভোগে পরেছে। শ্রীবরদী পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র। যার ফলে তাদের প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র কেনার সামর্থ্য নাই।

তবে এসব উপজেলা প্রশাসনের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে শীতবস্ত্র প্রদানের কোন খবর পাওয়া যায়নি।

bdwebhost24.com