শীত আসি আসি করেও যেন পুরোটা আসছে না। নভেম্বর শেষ ডিসেম্বর শুরু কিন্তু শীতের কাংখিত দেখা মিলছে না। রাতে শীত অনুভূত হলেও দিনে এখনো গরম। সন্ধ্যার পর কিছুটা শীত লাগলেও শীতের কাপড় পরার মতন অবস্থা এখনো হয়নি। বিশেষ করে শেরপুর জেলা শহরে শীতের অবস্থাটা  এরকমই।

তবে জেলার চরাঞ্চল ও পাহাড়ী অঞ্চলে শীত কিছুটা জেকে বসেছে। এখানে রাতে গরম কাপড় ও লেপ, কাঁথা সবই লাগে। কিন্তু তারপরেও শীতের আমেজটা পুরোপুরি এখনো আসেনি এসব অঞ্চলে।

ঝিনাইগাতীর রাংটিয়ার অধিবাসী জামাল মিয়া জানালেন, শীত দেরি করে আসলেই ভালো। কারণ গরীবদের শীতের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কাঁচা ঘরের ঠান্ডা মেঝেতে শোয়া আর শীত বস্ত্রের অভাবে তাদের দুর্ভোগ চরমে উঠে। এছাড়াও এবার কামাই রোজগারও কম বাড়তি কাপড় কেনার সামর্থ্য তাদের নাই।

একই কথা জানালেন জেলা সদরের মুন্সিরচরের দিন মজুর রহিম। তার মতে, শীত না আসলেই ভালো। শীতের আসলেই বাড়তি খরচ।

এদিকে উল্টা কথা তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীদের। তাদের ভাষ্য, শীত না পড়ায় তাদের শীতের কাপড় বিক্রিবাট্টা হচ্ছে না। শীতের জন্য প্রচুর মাল কেনা হয়েছে কিন্তু শীত না পড়ায় বিক্রি হচ্ছে না। যে কদিন আছে তাতে শীত পড়লেও আশানুরুপ বেচাকেনা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ফুটপাতে পুরানো শীতবস্ত্রের দোকানিদের বক্তব্যও এক। তারা জানালেন, এই সিজনের আশায় তারা পুরান কাপড়ের গাইড কেনেন। যদি গাইডে ভালো মাল থাকে তাহলে দুই পয়সা লাভের মুখ দেখেন নইলে নয়। শীতের জন্য তারা গাইড ভেঙ্গেছেন কিন্তু শীত না পরাতে মাল আটকে রয়েছে।

bdwebhost24.com