পারেদেস নিষিদ্ধ হোক, চান না ভুক্তভোগী স্পেনের গাভি

0
1

বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মাঠে সৃষ্ট উত্তেজনা নিয়ে মুখ খুলেছেন স্পেনের মিডফিল্ডার গাভি। তার মতে, সংঘর্ষের ঘটনায় জড়ালেও আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে নিষিদ্ধ করা সমীচীন হবে না। স্পেনের শিরোপা নিশ্চিত হওয়া ১-০ গোলের জয়ের পর উদযাপনের সময় দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় পারেদেস, নাহুয়েল মোলিনা, থিয়াগো আলমাদা এবং সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালাকে জড়িত থাকতে দেখা যায়।

ঘটনার এক পর্যায়ে পারেদেস স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলায় হাত দিয়ে তাকে ধাক্কা দেন বলে মনে হয়। বেঞ্চে থাকা গাভি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে আলমাদা তাকে জোর করে মাটিতে ফেলে দেন।

এরপর পারেদেস নিজের হাত গাভির মুখে ঠেলে দিয়ে বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডারকেও মাটিতে ফেলে দেন।

ঘটনার তদন্তে একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে ফিফা। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কোনো খেলোয়াড় বা কোচ নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন। পাশাপাশি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকেও জরিমানা করা হতে পারে।

স্প্যানিশ গণমাধ্যম এল পার্তিদাসো দে কোপেকে গাভি বলেন, ‘আমার মনে হয় না পারেদেসকে নিষিদ্ধ করা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বুঝি, শিশুদের জন্য এটা ভালো উদাহরণ নয়। কিন্তু ফুটবলের একটা দিক এমনও আছে, যেখানে শারীরিক লড়াই এবং কিছুটা আগ্রাসন থাকে।’

‘সবচেয়ে যৌক্তিক হতো, ম্যাচ চলাকালীনই তাকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া। এরপর বিষয়টি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। শেষ পর্যন্ত আমি মনে করি, এগুলো ফুটবলেরই অংশ এবং এমনটা থাকবেই।’

এর আগে ফিফার ধারাভাষ্যকারদের তথ্যব্যবস্থায় ভুলবশত জানানো হয়েছিল যে, এরিক গার্সিয়ার গলায় ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ পারেদেসকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন।

তবে কিছুক্ষণ পর সেই লাল কার্ডের তথ্য মুছে ফেলা হয়। পরে ফিফা বিবিসি স্পোর্টকে নিশ্চিত করেছে যে, ম্যাচ চলাকালীন পারেদেসের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, ফাইনালে আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ থেকে বহিষ্কার হন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

18 − 1 =