চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে গৃহবধূসহ দু’জনের মৃত্যু

0
223

চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিংয়ে চাঁদা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধীপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক ব্যবসায়ী খুন হয়েছেন। তার নাম মো. ফরিদ (৪৫)। শনিবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে নগরীর পাহাড়তলী বাজারে রেলের জায়গায় দোকান স্থাপনা নিয়ে বিরোধীপক্ষকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পাহাড়তলী রেলওয়ে স্টেশন জামে মসজিদের কাছে তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে বিরোধীপক্ষ। ছুরিকাঘাতে নিহত ফরিদ আই ডব্লিউ কলোনির ফাতেমার ভাড়া বাড়ির বাসিন্দা। তার পিতার নাম জাফর আহমেদ।

সিএমপি ডবলমুরিং জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আরিফ হোসেন গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সূত্র জানায়, ফরিদ রেলে জায়গায় দোকান স্থাপনার পর চাঁদা নিয়ে বিরোধীপক্ষের সংগে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে তাকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়। খবর পেয়ে ফরিদের সহধর্মিনীসহ নাহিদা আক্তারসহ স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। রাত ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
সিনিয়র সহকারী কমিশনার আরিফ হোসেন জানান, নিহত ফরিদ পাহাড়তলী বাজারে একটি কার ওয়াশের দোকান দেন। দোকানটি রেলের জায়গার ওপর স্থাপন করা হয়েছে দাবি করে বিরোধীপক্ষ চাঁদা চেয়েছিল। এ নিয়ে শনিবার রাত সাড়ে এগারোটার ফরিদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফরিদকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করা হয়।
থানায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ আসেনি। এজাহার পেলে পুরো বিষয়টি জানা যাবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
এদিকে, জেলার চন্দনাইশের পশ্চিম এলাহাবাদ এলাকায় পঞ্চাশোর্ধ এক গৃহবধূ ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তার নাম রেজিয়া বেগম (৫৪)। শনিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় পশ্চিম এলাহাবাদের বাতুয়ারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রেজিয়া বেগম ওই এলাকার রিকশাচালক আবদুস সাত্তারের স্ত্রী।
স্থানীয়ভাবে জানা যায়, গৃহবধু রেজিয়া বেগম শনিবার সন্ধ্যায় তার নিজ ঘরে মারাত্মকভাবে ছুরিকাহত হয়। এ সময় স্থানীয়রা গুরুত আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মারা যান। তবে নিহত রেজিয়া বেগম তার নিজ গৃহে কীভাবে ছুরিকাহত হয়েছেন তা বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে ঘটনার পর তার স্বামী আবদুস সাত্তার পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
চন্দনাইশ থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ রেজিয়া বেগম চমেক হাসপাতালে মৃত্যু হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তার বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

five × 1 =