ফরিদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা। তবে পুলিশ বলছে, ফেসবুক পোস্ট নয়, বিস্ফোরক আইনের পুরোনো মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের সাতবাড়িয়া গ্রামের তৈয়বুর রহমানের ছেলে ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিন মোল্লা, পাঁচুড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ মোল্লা (৬৭), এবং গোপালপুর ইউনিয়ন মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি ও চরচান্দ্রা গ্রামের কাজী রুবেল (৩৫)। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোববার (৯ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ জালাল আলম। তিনি বলেন, ‘মূলত ফেসবুক পোস্টের কারণে নয়, থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের একটি পুরোনো মামলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মতিন মোল্লা তার ফেসবুক আইডিতে ১৬ জনকে নিয়ে তোলা একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, ‘১৩ তারিখে আমরা সবাই ঢাকা যাব। দলের দুর্দিনে আমরা দলের পাশেই আছি।’ ছবিটি কোথায় ও কবে তোলা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এরপর শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাতে নিজ বাড়ি থেকে মতিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। একই রাতে ফিরোজ মোল্লা ও কাজী রুবেলকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবাইকে গত ১৮ জানুয়ারি দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ওসি শাহ জালাল আলম জানান, মামলাটি করেছিলেন আলফাডাঙ্গা পৌর সদরের বুড়াইচ এলাকার ইদ্রিস সরদারের ছেলে বিএনপির সমর্থক লাভলু সরদার।




