ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ এক ক্রু’কে খুঁজতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন বাহিনী। তবে তাদের এই অভিযান চালিয়ে পাইলটকে উদ্ধার করা খুব বিপজ্জনক কাজ বলে মনে করছেন আটলান্টিক কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও সাবেক মার্কিন নৌ-কর্মকর্তা হারলান উলম্যান এই উদ্ধার অভিযান নিয়ে এই মতামত ব্যক্ত করেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।মতামত জানাতে গিয়ে হারলান উলম্যান বলেন, বিধ্বস্ত এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের পাইলটকে উদ্ধারের যেকোনো মার্কিন অভিযান হবে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’।তার মতে, মার্কিন সামরিক বাহিনী সম্ভবত এই অভিযানে হেলিকপ্টার ও এসি–১৩০ গানশিপ ব্যবহার করে পদাতিক বাহিনী নামাবে। এসব যান খুব নিচু দিয়ে ওড়ে। যার ফলে এগুলো শত্রুপক্ষের আক্রমণের মুখে পড়ার ব্যাপক ঝুঁকি থাকে।
আমাদের উদ্ধারকারী দলগুলো অবশ্য এই কাজে বিশ্বের সেরা উল্লেখ করে উলম্যান জানান, ‘নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ফিরিয়ে আনতে তারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তবে বড় প্রশ্ন হলো—পাইলট এখন কী অবস্থায় আছেন? প্যারাস্যুটে নামার সময় তিনি কি আহত হয়েছেন? তার কাছে কি বেঁচে থাকার মতো পর্যাপ্ত রসদ আছে? আর আমরা কি তাকে উদ্ধারের জন্য যথেষ্ট দ্রুত সেখানে পৌঁছাতে পারব?’
সাবেক মার্কিন নৌ–কর্মকর্তা বলেন, এই অভিযানে দীর্ঘ সময়ের জন্য স্থল সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা কম। বরং এটি হবে একটি ‘ইন অ্যান্ড আউট’ অপারেশন অর্থাৎ দ্রুত গিয়ে দ্রুত ফিরে আসা।
তিনি জানান, অভিযানের প্রক্রিয়াটি হবে অনেকটা এমন- প্রথমে বিধ্বস্ত পাইলটের সঠিক অবস্থান শনাক্ত করা। এরপর সেই এলাকাটিকে চারপাশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা, যাতে শত্রুপক্ষ কাছে আসতে না পারে। সবশেষে হেলিকপ্টারে করে দ্রুত পাইলটকে তুলে নিয়ে আসা।
এই অভিযান যত দ্রুত সম্ভব শেষ করার কারণ জানিয়ে উলম্যান বলেন, ইরান ইতোমধ্যেই ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে এবং ‘একজন মার্কিনিকে জীবিত বন্দী করা তাদের বড় স্বার্থের বিষয়।




