জুমার নামাজের আগে মসজিদের বর্তমান খতিব মাওলানা ওয়ালিয়ুর রহমান খান বয়ান করছিলেন। তখন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া খতিব মুফতি রুহুল আমিন বয়ান করার জন্য ঢুকে পড়েন।
এ সময় সাধারণ মুসল্লিরা মুফতি রুহুল আমিনের পেছনে নামাজ পড়তে অনীহা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিনের সঙ্গে আসা কিছু লোক এর বিরোধিতা করলে মসজিদের ভেতরেই দুপক্ষে সংঘর্ষ শুরু হয়। একে অপরকে কিলঘুষি মারতে থাকে।
মসজিদের আসবাবপত্রও এ সময় ভাঙচুর করা হয়। ভেঙে ফেলা হয় দরজা-জানালার গ্লাস। এতে মসজিদের সাধারণ মুসল্লিরা ভীত হয়ে পড়েন।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খতিব রুহুল আমিন দেড় মাস আত্মগোপনে ছিলেন।




