রাজনীতি কিংবা দেশ বুঝি না: চঞ্চল চৌধুরী

0
170

দেশে অনেকদিনই তেমন একটা কাজ করলেও ওপার বাংলায় থেমে নেই জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় ‘শিকড়’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে লম্বা বিরতির কারণ জানতে চাইলে চঞ্চল চৌধুরী রাজনৈতিক গুঞ্জন সরাসরি উড়িয়ে দেন।তিনি বলেন, ‘না। একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন, এই বিরতিটা কিন্তু আমার কাছে খুব স্বাভাবিক। আমি কম ছবি করি। রাজনীতি কিংবা দেশ বুঝি না। আমরা বাংলা ছবির শিল্পী। সব দর্শকের জন্য ছবি তৈরি করি।’

তার কথায়, ‘এখানে কোনো বিভাজন নেই। সারা পৃথিবীর বাংলা ছবির দর্শকদের জন্য ছবি তৈরি হয়। আমার মনে হয় না সেখানে রাজনীতির কোনো ঠাঁই আছে। এপার বাংলায় কাজের কথা চলছে। ওপার বাংলায়ও বেশ কিছু কাজ পাইপলাইনে রয়েছে। সিরিজ ও সিনেমা, দুই-ই।

ছবিতে রাজি হওয়ার বিশেষ কারণও জানান চঞ্চল। তার কাছে গ্রাম বরাবরই টানে। বলেন, ‘বর্তমানে ঢাকায় থাকলেও আমি তো আসলে গ্রামেরই ছেলে। যখন ছবিতে মেঠো পথ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছি, কত পুরোনো ছবি মনে ভেসে উঠছে। এই ছবি করতে গিয়ে আমি বারবার পিছন ফিরে তাকিয়েছি।’

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের ছোটগল্প ‘দ্রবময়ীর কাশীবাস’ ও ‘দাদু’-এর অবলম্বনে নির্মিত হবে ‘শেকড়’ ছবিটি।

বোলপুরের ৩১ ডিগ্রি তাপমাত্রায়, কাঠফাটা রোদ উপেক্ষা করে ঢিলে-ঢালা ফতুয়া আর একমুখ দাড়ি নিয়ে সাইকেলে চেপে ছুটে চলছেন চঞ্চল চৌধুরী।

দৃশ্যত এই দৃশ্যটিই এখন কলকাতার গণমাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্রে। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি গল্পের সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে ব্রাত্য বসুর আগামী ছবি ‘শিকড়’। এই ছবির শুটিং চলছে বোলপুরের মোহনপুরে।

এতে বাবা-ছেলের এক সুন্দর সম্পর্ক তুলে ধরা হবে। চঞ্চল চৌধুরী জানিয়েছেন, তার চরিত্রের সঙ্গে তার ব্যক্তিজীবনের বহু মিল রয়েছে। কারণ এই চরিত্রে তার বাবা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত। যিনি সমস্ত কিছু ভুলে যান। চঞ্চল চৌধুরীর বাবাও জীবনের শেষদিকে একই রোগে আক্রান্ত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

19 − 9 =