সৎ বাবার হাতেই খুন কিশোরী আমেনা: আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দী দিয়েছেন তারই সৎপিতা আশরাফ আলী

0
183

নরসিংদীতে আমেনা হত্যা মামলায় আদালতে  স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন তারই সৎপিতা আশরাফ আলী।  ভুক্তভোগীকে পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।

শনিবার (৭ মার্চ)  বিকেলে নরসিংদী পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ-আল-ফারুক এসব তথ্য জানান।তিনি বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে যে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, তার পেছনে ভিন্ন ঘটনা রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমেনার সৎপিতা আশরাফ আলী তাকে হত্যা করে অন্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজানোর চেষ্টা করেন।

পুলিশ জানায়, আমেনা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা (২৮)-এর সঙ্গে ভিকটিমের আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও ছিল। এছাড়া হযরত আলী, এবাদুল, জামান ও গাফফার হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে কোতালিরচরের হযরত আলীর বাড়িতে দলবদ্ধভাবে আমেনাকে ধর্ষণ করে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ধর্ষণের অভিযোগে নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ (৪০), হযরত আলী (৪০) ও গাফফার (৩৭) গ্রেপ্তার হয়েছেন। এছাড়া ধর্ষণের ঘটনায় শালিশ করে আমেনার পরিবারকে এলাকা ছাড়ার অভিযোগে স্থানীয় আহাম্মদ আলী মেম্বার ওরফে আহাম্মদ দেওয়ান, তার ছেলে মো. ইমরান দেওয়ান, প্রতিবেশী মো. আইয়ুব (৩০) ও ইছাহাক ওরফে ইছাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আলী। ভুক্তভোগীকে পরিকল্পিতভাবে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি।শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে নরসিংদী পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ-আল-ফারুক এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তদন্তে প্রাথমিকভাবে যে ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল, তার পেছনে ভিন্ন ঘটনা রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমেনার সৎপিতা আশরাফ আলী তাকে হত্যা করে অন্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজানোর চেষ্টা করেন।

পুলিশ জানায়, আমেনা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা (২৮)-এর সঙ্গে ভিকটিমের আগে থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও ছিল। এছাড়া হযরত আলী, এবাদুল, জামান ও গাফফার হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে কোতালিরচরের হযরত আলীর বাড়িতে দলবদ্ধভাবে আমেনাকে ধর্ষণ করে বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় সৎপিতাসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে আদালতের নির্দেশে রিমান্ডে রয়েছেন।

তদন্তে আরও জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আমেনাকে তার সহকর্মী সুমনের বাড়িতে যাওয়ার পথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে একাই হত্যা করেন সৎপিতা আশরাফ আলী। এই হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, ভিকটিমের কথিত অসামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরক্তি ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার কারণে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটান।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ধর্ষণের অভিযোগে নূর মোহাম্মদ ওরফে নূরা, এবাদুল্লাহ (৪০), হযরত আলী (৪০) ও গাফফার (৩৭) গ্রেপ্তার হয়েছেন। এছাড়া ধর্ষণের ঘটনায় শালিশ করে আমেনার পরিবারকে এলাকা ছাড়ার অভিযোগে স্থানীয় আহাম্মদ আলী মেম্বার ওরফে আহাম্মদ দেওয়ান, তার ছেলে মো. ইমরান দেওয়ান, প্রতিবেশী মো. আইয়ুব (৩০) ও ইছাহাক ওরফে ইছাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

3 − two =